প্রেমাতাল পর্ব - ৩২ || মৌরি মরিয়ম

সেই পাগলী তিতির আর আজকের তিতিরের মধ্যে অনেক পার্থক্য। ৪ বছর পর্যন্ত সত্যি কোনো পার্থক্য ছিল না। গত সাত মাসে যেন হঠাৎই বড় হয়ে গেল। তিতি...

সেই পাগলী তিতির আর আজকের তিতিরের মধ্যে অনেক পার্থক্য। ৪ বছর পর্যন্ত সত্যি কোনো পার্থক্য ছিল না। গত সাত মাসে যেন হঠাৎই বড় হয়ে গেল।
তিতির ডানদিকে কাত হয়ে নিজের হাতের উপর মাথা শুয়ে আছে। এই বিছানায় ওর বউ হয়ে শোবার কথা ছিল, আর আজ অসুস্থ হয়ে শুয়ে আছে। ভাগ্যে বিশ্বাসী ছিলনা মুগ্ধ। তাই বোধহয় ভাগ্যবিধাতা বুঝিয়ে দিল তিনি চাইলে কি থেকে কি হয়ে যেতে পারে।
৭ মাস আগে তিতির না, মুগ্ধ শুয়ে ছিল এখানে। কপালে তিতিরের হাতের স্পর্শ পেতেই চোখ খুলে ওকে দেখতে পেয়েছিল মুগ্ধ। আজকালও খানিকটা এরকম ব্যাপার ঘটে, ও কপালে স্পর্শ পায় কিন্তু চোখ খুললেই বুঝতে পারে সবটা স্বপ্ন ছিল। সেদিন চোখ খুলে দেখছিল সবুজ পাড়ের হালকা কলাপাতা রঙের শাড়ি পড়ে মাথার কাছে বসে আছে তিতির। চুলগুলো খোলা। আহ কি অপূর্ব লাগছে। কোনো অকেশন ছাড়া শাড়ি পড়লে বুঝতে হবে কোন সুখবর আছে। তাই বুঝেই মুগ্ধ তিতিরের হাতটা কপালের উপর থেকে সরিয়ে বুকের মধ্যে নিয়ে বলল,
-"আমার বউটা আজ কি সুখবর দেবে?"
তিতির হাতটা ছাড়িয়ে নিচ্ছিল। মুগ্ধ ছাড়ছিল না। উলটো দুলাইন গান শুনিয়ে দিল,
"ছেড়োনা ছেড়োনা হাত
দেবোনা দেবোনা গো যেতে
থাকো আমার পাশে..."
তিতির বলল,
-"উফ কেন ছাড়ছি সেটাও তো বুঝতে হবে।"
মুগ্ধ ছাড়লো। তিতির দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বাইরে উঁকি মারলো না কেউ নেই। দরজাটা আস্তে করে লাগিয়ে দিল। তারপর মুগ্ধর পাশে এসে শুয়ে পড়লো। মুগ্ধ তিতিরকে জড়িয়ে ধরে ওর বুকে মাথা রাখলো। তিতির মুগ্ধর গালে হাত বুলিয়ে বলল,
-"অনেক বড় কোনো সুখবর দেব আজ। যা আগে কখনো দেয়নি। এর চেয়ে বড় সুখবর আর হতেই পারে না।"
-"হোয়াট? কিভাবে সম্ভব?"
-"তুমি বুঝতে পেরেছো আমি কিসের কথা বলছি?"
-"হ্যা, তুমি প্রেগন্যান্ট! এর চেয়ে বড় সুখবর আর কিছু হতে পারেনা কিন্তু কিভাবে সম্ভব। আমি তো কিছুই করিনি।"
তিতির ওকে সরিয়ে দিল,
-"ধ্যাত, মুডটাই নষ্ট করে দিলে।"
-"এই না না বলো বলো। দুষ্টুমি করছিলাম তো।"
তিতির তবু মুখ ঘুরিয়ে রইল। মুগ্ধ তিতিরের কান ধরে বলল,
-"এই কান ধরছি, সরি। এবার বলোনা কি হয়েছে?"
তিতির মুগ্ধর দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসলো। তারপর বলল,
-"তোমার এই বিছানায় আমার জন্য পার্মানেন্টলি জায়গা করো। শিগগিরই আসছি।"
-"মানে কি? বিয়ের কথা বলছো?"
-"হ্যা... কাল বাসায় একটা প্রোপোজাল এসেছিল। বাবা ওটার কথা আমাকে বলতেই আমি তোমার কথা বাবাকে বলে দিয়েছি।"
মুগ্ধ লাফিয়ে উঠে বসলো। বলল,
-"আল্লাহ মুখ তুলে তাকিয়েছেন! তারপর কি হলো?"
তিতিরও উঠে বসেছে ততক্ষণে। বলল,
-"তারপর সব জিজ্ঞেস করলো তোমার ব্যাপারে আমি বললাম। তারপর মা আর ভাইয়া, ভাবীকে ডেকে সবটা বলল বাবা। সব শুনে বোধহয় সবারই পছন্দ হয়েছে। তাই বলেছে প্রোপোজাল পাঠাতে। উফ বিশ্বাস করো এত সহজে সবাই মেনে নেবে ভাবিনি।"
-"ওয়াও, গ্রেট!"
-"জানো, ভাইয়া তো হাসছিল আর বলছিল তুই এতদিন প্রেম করেছিস টেরই পাইনি। ছোটবেলায় তুই এত শান্ত থাকতি যে বাসায় কোনো বাচ্চা আছে বোঝা যেত না। সেরকমই হলো ব্যাপারটা।"
-"বাহ।"
-"হুম।"
মুগ্ধ তিতিরের কপালে চুমু দিয়ে বুকে টেনে নিল। তারপর বলল,
-"তিতির কি যে ভাল লাগছে তোমাকে বলে বোঝাতে পারব না। অবশেষে আমার এতদিনের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে।"
তিতির হেসে বলল,
-"আর আমারও। এবার বাইরে চলো.. পিউ, স্নিগ্ধ সবাই বাসায়। আর তোমারও তো অফিসে যেতে হবে।"
-"ও হ্যা, তুমি যাও। আমি একবারে রেডি হয়ে বের হচ্ছি।"
পরের শুক্রবারই মুগ্ধ ফুল ফ্যামিলিসহ প্রোপোজাল নিয়ে গেল তিতিরের বাসায়। শুধু বাবা ছাড়া কারন, মুগ্ধর বাবা দুবছর আগে একটা অপারেশনে গিয়ে মারা যায়। কথাবার্তা বলে দুই ফ্যামিলিই দুই ফ্যামিলিকে পছন্দ করলো। মুগ্ধর মা চাইলো আগামী মাসের মধ্যেই বিয়ের কাজ সেড়ে ফেলতে তিতিরের বাবা-মাও রাজী হয়ে গেল। ডিনারও সেড়ে ফেলল। তারপর হঠাৎ তিতিরের বাবা বলল,
-"কীরে তান্না কখন আসবে? আজ ও বাইরে গেল কেন?"
ভাবী বলল,
-"বাবা, ওর বন্ধুর বাবা হঠাৎই মারা গেছে, তাই গিয়েছিল। চলে আসবে কিছুক্ষণের মধ্যে। ও ঝিগাতলা পর্যন্ত চলে এসেছে, কথা হয়েছে।"
মুগ্ধর বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠলো তান্না নামটা শুনে। তান্না! কোন তান্না? ৩/৪ বছর আগে যাকে মেরে এই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল সেই তান্নাই কি তিতিরের ভাই? সর্বনাশ! তাহলে তো সব শেষ। মুগ্ধ তরতর করে ঘামছিল। সেই তান্না যেন না হয়। সেই তান্নাই যদি হয় তাহলে সারাজীবনের জন্য ও হারাবে তিতিরকে। আল্লাহ কি এতটা নিষ্ঠুর হবে? হঠাৎ লাল শাড়ি পড়া তিতির এসে দাঁড়াল ওর পাশে। বলল,
-"তোমার কি হল? মুখটা এমন লাগছে কেন?"
-"নাহ, কিছুনা।"
তিতিরকে যে মুগ্ধ কি বলবে তা ও বুঝতে পারছিল না।
কিছুক্ষণের মধ্যেই তান্না চলে এল। ড্রইং রুমে ঢুকে কি অমায়িক ভঙ্গিতে মুগ্ধর মাকে সালাম দিয়ে বলল,
-"সরি আন্টি, আমি অনেক দেরী করে ফেললাম।"
তারপর মুগ্ধর দিকে চোখ পড়তেই তান্না দাঁড়িয়ে পড়লো, অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো মুগ্ধর দিকে। মুগ্ধ প্রাণপণে আল্লাহ কে ডাকছিল যেন এই মুহূর্তে ওর মৃত্যু হয়। কারন এরপরই যেভাবে তিতিরকে ওর জীবন থেকে কেড়ে নেয়া হবে তা ও সহ্য করতে পারবে না। শেষবারের মত তিতিরের হাসিমুখটা দেখে নিল। এরপর থেকে তো তিরিরের জীবন থেকে সবহাসি শেষ হয়ে যাবে।
চোখের সামনে ভেসে উঠলো সেই দিনটি। সেদিনও ছিল শুক্রবার। মুগ্ধ নিজের রুমে বসে তিতিরের সাথে ফোনে কথা বলছিল। হঠাৎই কলিং বেল বেজে উঠলো। মুগ্ধ পাত্তা দিল না, আবার বাজতেই তিতির বলল,
-"কি হলো? দরজা খুলছ না যে?"
-"আরে বাসায় তমাল, সম্রাট ওরা আছে। কেউ নিশ্চই খুলবে, অযথা আমি আমার বউকে রেখে দরজা খুলতে যাব?"
তিতির বলল,
-"যেন আমি কাছে আছি?"
এরপর পরপর কয়েকবার বেল বাজতেই মুগ্ধ বলল,
-"আচ্ছা, আমি পরে কল দিচ্ছি।"
-"হুম, ঠিকাছে।"
দরজা খুলতেই দেখলো ওদের বাসার বাড়িওয়ালার ছেলে মিথুন আর মিথুনের ফ্রেন্ড তান্না দাঁড়িয়ে। দুজনই মুগ্ধর চেয়ে দুএকবছরের ছোট। মুগ্ধ বলল,
-"আরে, তোমরা যে! এসো এসো।"
ভেতরে ঢুকেই মিথুন বলল,
-"মেহবুব ভাই, আপনারা বাসা নেয়ার সময় যে কন্ডিশনগুলো দেয়া হয়েছিল তা কি আপনারা ভুলে গেছেন?"
মুগ্ধ অবাক হয়ে বলল,
-"না তো ভুলব কেন? কি হয়েছে?"
-"একটু আগে আপনাদের ফ্ল্যাটে একটা মেয়ে ঢুকেছে।"
-"এটা হতেই পারে না। প্রথমত, কেউ মেয়ে নিয়ে আসবে না, দ্বিতীয়ত, আমি আজ সারাদিন বাসায় কেউ এলে আমি জানতাম।"
তান্না বলল,
-"ভাইয়া আমি যখন উঠছিলাম আমি নিজে দেখেছি।"
-"বলো কি!"
-"জ্বী।"
মুগ্ধ বলল,
-"আচ্ছা আমার কথা বিশ্বাস না হলে তোমরা বাসা সার্চ করতে পারো।"
মিথুন বলল,
-"তাই করতে হবে।"
মুগ্ধ বলল,
-"এসো।"
মিথুন বলল,
-"তান্না তুই যা, আমি দরজার সামনেই থাকি, যাতে এদিক দিয়ে পাচার করতে না পারে।"
মুগ্ধ তান্নাকে নিয়ে গেল। প্রথমে সম্রাটের রুমে ঢুকে দেখলো কেউ নেই। মুগ্ধ ভাবল, 'সম্রাট কি বাইরে গেল? কখন গেল? না বলেই গেল?'
এরপর মুগ্ধর রুম খুঁজে ওরা তমালের রুমে যেতে নিয়ে দেখলো দরজা ভেতর থেকে লাগানো। তান্না বলল,
-"কি বুঝলেন?"
মুগ্ধ দরজায় নক করলো,
-"তমাল? এই তমাল? দরজা খোল।"
কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না। তান্না কয়েকবার দরজায় ধাক্কা দিল। ততক্ষণে মিথুন চলে এসেছে তমালের দরজার সামনে। তারপর আরো কয়েকবার নক করার পর ভেতর থেকে দরজা খুলে বেড়িয়ে এল তমাল। পেছনে ওড়না দিয়ে ঘোমটা টানা একটা মেয়ে। মেয়েটাকে চিনতে কষ্ট হলোনা মুগ্ধর। তমালের গার্লফ্রেন্ড সুপ্তি। কিন্তু তমাল ওকে বাসায় নিয়ে আসার মত বোকামিটা কেন করলো? আর যদি আনেও মুগ্ধকে একবার জানানোর প্রয়োজন মনে করল না? এতবড় মুখ করে বলা কথা এখন কোথায় যাবে মুগ্ধর! মিথুন বলল,
-"এই মেয়ে ব্যাচেলর বাসায় আসতে পারছো আর মুখ দেখাইতে শরম? ঘোমটা দিয়া তো ঘোমটার অসম্মান করলা! দেখি মুখ দেখাও।"
তমাল বলল,
-"ভাই আমার ভুল হয়ে গেছে, ওকে ছেড়ে দেন। আমাকে যা বলার বলেন।"
তান্না বলল,
-"শালার চোরের মার বড় গলা।"
তারপর মুগ্ধর দিকে তাকিয়ে বলল,
-"এইযে, মেহবুব ভাই।এইবার কি বলবেন? খুব তো বলসিলেন মেয়ে আনেন না বাসায়। এটা কি বের হলো রুম থেকে?"
মুগ্ধ কিছু বলার আগেই মিথুন বলল,
-"আরে এগুলা মেয়ে নাকি সস্তা ** কতগুলা।"
মুগ্ধ বলল,
-"এবার বেশিবেশি হয়ে যাচ্ছে। মেয়েটাকে যেতে দাও। বাকীটা আমরা বুঝে নিচ্ছি।"
মুগ্ধ জানে সুপ্তি এলাকারই মেয়ে। ওর মুখটা কেউ দেখে ফেললে কেলেঙ্কারি হবে। মিথুন বলল,
-"আপনাদের সাথে তো বুঝবো আসল বোঝা। আগে এই **টার সাথে বুঝে নেই।"
সুপ্তির গায়ে ধাক্কা মেরে বলল,
-"চুলকানি বেশি না? তাই ব্যাচেলর বাসায় আসো?"
একথা শুনেই তমাল মিথুনের মুখে একটা ঘুষি বসিয়ে দিল। সেই ফাঁকে মুগ্ধ সুপ্তিকে ফ্ল্যাট থেকে বের করে দিল। সুপ্তি দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল। তান্না দৌড়ে ধরতে চাইল, মুগ্ধ ওকে ধরে আটকে রাখলো। তান্না বলল,
-"মিথুন তরে আমি কইসিলাম সবগুলার গুরু এইটা। দেখ মেয়েটারে কেম্নে বাইর কইরা দিল।"
মিথুন তখন ব্যস্ত ছিল তমালের ঘুষির জবাব দিতে। মুগ্ধ বলল,
-"তোমরা যা ইচ্ছা ভাবতে পারো কিন্তু ও একটা মেয়ে, ভুল করে ফেলেছে হয়তো একটা। তাই বলে ওকে এভাবে অপমান করাটাও ঠিক না। ও তো তোমার আমার মতই কারোর বোন তাই না?"
মিথুন উঠে এসে মুগ্ধর কলার ধরলো। তান্না বলে উঠলো,
-"শালা বানী দেয়া বন্ধ কর। তোর এত লাগে ক্যান? সব একেই চক্র না? তোর গার্লফ্রেন্ড ও নিশ্চই আসে! আসে দেখেই বন্ধুর টারে সাপোর্ট দিচ্ছিস যাতে তুই ধরা খাইলে বন্ধু সাপোর্ট দেয়। সবগুলা **বাজ।"
মুগ্ধ বলল,
-"তান্না মুখ সামলে কথা বলো। আমার গার্লফ্রেন্ড কে নিয়ে আরেকটা কথা বলার সাহস দেখিওনা। তাহলে কপালে দুর্ভোগ আছে।"
তান্না বলল,
-"ক্যান তোর গার্লফ্রেন্ডের রেট কি দুইটাকা বেশি নাকি?"
এরপর মুগ্ধ আর ধরে রাখতে পারেনি নিজেকে। উন্মাদের মত মেরেছিল সেদিন তান্নাকে। কোনো হুঁশজ্ঞান ছিল না। মিথুন শত চেষ্টা করেও থামাতে পারেনি। মার খেয়ে তান্না দৌড়ে সিঁড়িতে চলে গেল নামার জন্য। মুগ্ধও দৌড় দিয়ে ধরে ফেলেছিল। মারতে মারতে নামিয়েছিল সিঁড়ি দিয়ে। পুরো সিঁড়ি রক্তে মেখে গিয়েছিল। তারপর রাস্তায় ফেলে কি মারটাই না মেরেছিল মুগ্ধ ওকে। সাথে মুগ্ধ শুরু করেছিল বাপ মা তুলে কি অকথ্য ভাষায় গালাগালি! রাস্তায় মানুষের ভীর হয়ে গিয়েছিল। একজন থামাতে যেতেই মুগ্ধ তাকে এমনভাবে ধাক্কা দিয়েছিল যে তা দেখে কেউ আর আগানোর সাহস করেনি। তারপর একসময় মার খেতে খেতে যখন তান্না অজ্ঞান হয়ে যায় তখন ওকে ছাড়ে মুগ্ধ।
To be continued...

COMMENTS

Name

অচেনা প্রান্তর,1,অনুভুতির প্রতিশোধ,3,অপেক্ষা,1,অবিদিত সেই তুমি,1,অ্যাফ্লিক্টেড বোবা,1,আপেক্ষিক,1,আমার জন্ম ভূমি,1,আরেক জগৎ,1,আসবে মরণ,1,আহারে জীবন,1,ঈদের চাঁদ,1,উপন্যাস,38,একে আজাদ,4,ওরে খোকা,1,কবিতা,19,কলমের শক্তি,1,গল্প,34,চাঁদ মামা,1,চিত্তের আর্তনাদ,1,ছোট গল্প,9,জিসান আহম্মেদ রাজ,24,দৃষ্টির আগোচরে,3,ধৈর্যের ফল,1,ধোকা,12,পিচ্চি বউ,13,প্রত্যাবর্তন,2,প্রেমাতাল,38,ফরিদ সরকার,10,ফারজানা শারমিন,2,ভিন্ন চোখ,1,ভুল,1,মিছে স্বপ্নের জাল বুনি,1,মেঘ রোদ্দুর,2,মৌরি মরিয়ম,38,শফিক নোমানী,3,শশুরবাড়ি,6,সুখ দুঃখ,1,সুরভিত অতীত,1,সেই তুমি,1,সৌরভ সাধুখান,1,হৃদয় চৌধুরী,18,
ltr
item
LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network: প্রেমাতাল পর্ব - ৩২ || মৌরি মরিয়ম
প্রেমাতাল পর্ব - ৩২ || মৌরি মরিয়ম
https://1.bp.blogspot.com/-kXPikmMR8GQ/XLLhybdXSdI/AAAAAAAAARA/WoSCuMGlsl8DtgA0u6CAHfd2JcN1JMb-gCPcBGAYYCw/s320/Logopit_1555224034127.jpg
https://1.bp.blogspot.com/-kXPikmMR8GQ/XLLhybdXSdI/AAAAAAAAARA/WoSCuMGlsl8DtgA0u6CAHfd2JcN1JMb-gCPcBGAYYCw/s72-c/Logopit_1555224034127.jpg
LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network
https://www.lekhapriyo.com/2019/10/blog-post_13.html
https://www.lekhapriyo.com/
https://www.lekhapriyo.com/
https://www.lekhapriyo.com/2019/10/blog-post_13.html
true
1831162134532447050
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content