দৃষ্টির অগোচরে পর্ব - ০৩ (শেষ) || জিসান আহম্মেদ রাজ

Jisan Ahmed Raj এদিকে কথা রুমে ঢুকেই শুনে ফেলল" আরে আমার দুষ্ট জামাই আমি দেখছি বিষয়টা"সাথীর কথাটা শুনে কথা চোখ মুছতে মু...


Person Jisan Ahmed Raj

এদিকে কথা রুমে ঢুকেই শুনে ফেলল" আরে আমার দুষ্ট জামাই আমি দেখছি বিষয়টা"সাথীর কথাটা শুনে কথা চোখ মুছতে মুছতে বের হয়ে গেল। আমি আর কিছু বললাম না, কারণ নষ্ট মেয়েদের কাছে এসব ব্যাপার না! তবে একটা জিনিস বুঝতেছি, কথার সাথে শারীরীক সম্পর্ক করেনি। তাহলে রির্পোটে কেন দেখাচ্ছে শারীরীক সম্পর্ক হয়েছে কথার সাথে আমার। নাহ্ কিছু ভাবতে পারছিনা।
এদিকে কথা ভাবছে,রাজ আমাকে না জানিয়ে বিয়ে করল! আমাকে জানালে কি হতো?কথার নাম্বারে একটা ম্যাসেজ আসলো" প্লিজ ম্যাসেন্জারে গিয়ে দেখেন, আপনার স্বামী কতটা মহান"! কথা তাড়াহুড়া করে, ম্যাসেন্জারে ঢুকতেই অবাক হয়ে গেল" রাজ কে সে অনেক ভালো ভাবত, সেই রাজই কিনা, ডাক্তার মেয়েটার সাথে অশ্লীল কাজ করছে! কথার নিজের অজান্তেই বুক ফেঁটে কান্না আসছে! কথা হঠাৎ দেখলো " যা দেখার মোটেই প্রস্তুত ছিল না" ডাক্তর সাথীকে রাজ কুলে করে নিয়ে বেডের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাহির থেকে কাচের জানালা ভেদ করে সব দেখা যাচ্ছে। কথার পৃথিবীটা উলট পালট হয়ে যাচ্ছে। সে ভাবছে আমি তো রাজকে নিজের থেকে বেশি ভালবাসতাম। আমি জানি না কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছি। মহান আল্লাহ্ তায়ালা জানে! কথার ভিডিওটার কথা এবয় সাথীকে কুলে করে বেডের দিকে নিয়ে যাওয়ার দেখে বুঝতে বাকি রইলো না রাজের মনের ঘরে অন্যজনের বসবাস।
কথা চোখ দুটি মুছে চলে গেল বাসায় সে আর হসপিটালে থাকতে পারবে না। যাকে দেবতার আসনে বসিয়েছিল সে এমন করল! আমার ভালবাসার এ মূল্য দিলো রাজ! আমি তো কোন অন্যায় করিনি।বাসায় এসে না খেয়ে শুয়ে পড়ে।
এদিকে রাতে বাসায় এসে বুঝতে পারি যে কথার কিছু একটা হয়েছে! তবে একটা বিষয় আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো, আমি কথার সাথে কোন শারীরীক রিলেশন করিনি,তাহলে কেমনে ডি.এন. টেস্টে ম্যাচ করলো। বুঝতেছি কিছু। সাথীকে দিয়ে এক রির্পোট তিনবার করিয়েছি। এদিকে পাশে তাকাতেই দেখি, কথা ওপাশ ফিরে ঘুমিয়ে গেছে।চোখ দুটি ফুলে রয়েছে। মোবাইলটা পাশে, পড়ে আছে। মোবাইলটা নিয়ে কথার ফেসবুক আইডিতে ঢুকার জন্য পাস দিলাম"রাজকথা!লগইন হয়ে গেল।একটু অবাক হলাম,কারণ কথায় বলেছিল"রাজকথা" নামটা তাঁর হৃদয়ে সারাজীবন থাকবে। আইডিতে ঢুকে তেমন কিছু পেলাম নাহ্! তবে ইনবক্স চেক করতে গিয়ে চমকে গেলাম নাহ্ এ হতে পারে না! আমি সাথীর সাথে এসব। নাহ্ কিছু ভাবতে পারছিনা। বুঝতে বাকি রইল না আমার সাথে কেউ গেম খেলছে! সেদিন যদি কথার রুমে ঢুকতাম আসল কার্লপিট টাকে খুজে পেতাম।
ফোনটা কথার পাশে রেখে ঘুমিয়ে গেলাম! মাঝরাতে কারো কান্নার শব্দে ঘুম ভাঙ্গল। পাশের রুম থেকে কান্নার আওয়াজ আসছে।
বিছানায় পাশে তাকাতেই দেখি কথা নেই! আমি ঘুম ঘুম চোখে পাশে রুমে গিয়ে দাঁড়াতেই চমকে গেলাম।কথা নামায পড়ে মোনাজাতে কাঁদছে,।মোনাজাতে যা বললে তা শুনার মুটেই প্রস্তুত ছিলাম নাহ্! কথা মোনাজাতে বসে বলছে, - হে পরওয়ারদেগার রাহমানীর রাহিম। আমি গোনাহ্গার তোমার দরবারে দুটি হাত তুলে ধরেছি এই মাঝরাতে। সারা দুনিয়ার মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তখন তোমার দরবারে তোমার অভাগী পাপী বান্দীটি দুটি হাত তুলে ধরেছে! জানিনা কি এমন অপরাধ করেছি যার জন্য আজ আমি অন্তঃসত্ত্বা! হে আল্লাহ্ তুমি তো জানো,আমার স্বামী রাজ ব্যতীত কোন ছেলে আমাকে স্পর্শ করেনি তাহলে কেমনে আমি মা হচ্ছি।তুমি না সতী নারীর মর্যাদা রক্ষা করো! তাহলে কেন আজ আমি সবার কাছে নষ্টা।আমার স্বামীর কাছে নষ্টা? আমি তো রাজকে পাওয়ার জন্য কত রোযা রেখেছি,দিনের পর দিন কেঁদেছি। মাঝরাতে উঠে কান্না করেছি রাজের বুকে মাথা রেখে শান্তিতে ঘুমাবো বলে তোমার দরবারে! তবে কেন হলো আমার জীবনটা ছন্ন ছাড়া।আজ মা-বাবার কাছে নষ্টা সমাজের কাছে বেশ্যা হয়ে গেলাম।আমার স্বামী যাকে হৃদয়ের পবিএ স্থানে জায়গা দিয়েছিলাম সে, অন্য মেয়ের বুকে। আল্লাহ্ আমি পারছিনা, আমার স্বামীর অবহেলা সইতে। আল্লাহ্ শেষ নিঃশ্বাস টা যেন স্বামীর বুকে ফেলতে পারি। আমাকে আমার স্বামীর থেকে আলাদা করো না। এসব বলে কাঁদতে লাগল।
আমি আর ওসব শুনতে পারছি না।কথার প্রতিটি কথা হৃদয়ে আঘাত হানছে। মনে মনে ভাবছি কেউ মোনাজাতে মিথ্যা বলবে না তো কখনো! তাহলে কি আমি ভুল শুনেছিলাম সেদিন কথাদের বাড়িতে? নাহ্ আমি সেদিন স্পর্ষ্ট কথার মুখে এবং অন্য একটি ছেলের মুখে কথাকে নিয়ে বাজে কথা বলতে। আমি কিছু ভাবতে পারছি না।
পরেরদিন ফ্রেশ হয়ে কথাকে কিছু না বলে অফিস চলে যায়।
এদিকে কথা বাসায় বসে আছে,হঠাৎ একটা হকার কথার হাতে একটা খাম ধরিয়ে দিয়ে গেল। খামের ভেতর কিছু অশ্লীল ছবি যা রাজ আর সাথীর।ছবি গুলো দেখে কথার বুক ফেঁটে কান্না আসছে। কথা কাউকে কিছু না বলে, রাজের অফিসে যায়। অফিসে গিয়ে রাজের কথা জিজ্ঞেস করতেই পিয়ন বলে " ম্যাডাম স্যার তো তাঁর ডাক্তার বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরতে গেল। স্বামী স্ত্রীর মতো চলাফেরা করে আপনি আপনার স্বামীকে দেখে রাখবেন"! প্রিয়নের কথা শুনে কথার বুঝতে বাকি রইল না রাজ তাকে করুণা করে। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলো, রাজকে ডির্ভোস দিবে। রাজ হয়তো তাকে করুণা করে বাড়িতে জায়গা দিয়েছে। তাঁর জন্য রাজ তার ভালবাসা সাথীকে বাবা-মায়ের সামনে নিয়ে আসতে পারছে না! তাই ডির্ভোস পেপার সাইন করে একটা চিরকুট লিখে বাসায় রেখে কথা বাবার বাড়িতে চলে যায়।
এদিকে আমি, রাত নয়টার এসে কথাকে কোথাও দেখতে না পেয়ে রিত্তকে ডাক দিলে, রিত্ত বরে বাড়ি তো বাসায় চলে গেছে তাদের।
আমি কাপড় চেন্জ করে, টেবিলের দিকে একটা চিরকুট। চিরকুট টা পড়ে বুঝতে বাকি রইল না কথা আমাকে ভুল বুঝেছে। আর পিক গুলো বিছানার নিচে দেখি, অনেকটা অবাক হলাম।ডির্ভোস পেপারটা, না সাইন করে আলমারিতে রেখে দিলাম। পরেরদিন অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পর গাড়ি একসিডেন্ট করে।
আমার জ্ঞান ফেরার পর আমি কথা বলতে পারিনা। ডাক্তার মা-বাবাকে বলল আমি সম্পূর্ণ প্যারালাইস্ট হয়ে গেছি।আমি কোন কথা বলতে পারবো না । শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে ছাড়া কোন উপায় নেই!
এদিকে বাসায় হুইল চেয়ারে বসিয়ে রাখে নড়তে পারিনা। খুব ইচ্ছে করে কথার চাঁদমুখটা দেখতে। শুনেছি কথা নাকি ঢাকার বাহিরে! প্রতিটা মুহূর্ত মনে হচ্ছে মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়ছি। অনেক বন্ধু-বান্ধব দেখতে এসেছিল। অনেকেই জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিয়েছে। তাদেরকে জড়িয়ে ধরে স্বান্ত্বনা টুকুও দিতে পারিনি!
সপ্তাহ খানেক পর কথা ঢাকা থেকে শেরপুর ফিরে শুনে যে আমার এ অবস্থা। কথা আঙ্কেল-আন্টিকে বলে যে কেন তাঁকে খবর দেয়নি। আঙ্কেল আন্টি কথাকে বলে মারে কি বললো রাজ তোর সাথে যা করেছে। তুই কী এমনি ডির্ভোস নিয়েছিস। ডাক্তার মেয়েটার সাথে রিজের অবৈধ সম্পর্ক সবাই জানে। আর এটা রাজের পাপের ফল। তোকেও তো রাজ বিয়ে না করার হুমকি দিয়ে ভোগ করেছে। যির জন্য সবাই আমাকে কতো বাজে কথা বলেছে।
বাবা চুপ করবে। রাজ আমার স্বামী! আমি ডির্ভোস দিলেও সে আমাকে দেয়নি।দিলে আদালতের নির্দেশ পেতাম।স্বামী যতই খারাপ থাকুক, তাঁর বিপদে যে স্ত্রীর যেতেই হবে। এই বলে বাসায় এসে দেখে যে- আমি হুইল চেয়ারে বসে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছি! চোখ দিয়ে পানি পড়ছে।
কথা অনেক ক্ষণ কান্নাকাটি করে চলে গেল! কয়েকদিন পর তোবা আসল একটি ফুলের তোড়া নিয়ে।তোবা আমার ভার্সিটি ফ্রেন্ড। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফট্রোগাফি নিয়ে পড়েছে। আমার অনেক ভালো ফ্রেন্ড ছিল।যদিও একটা সমস্যার জন্য ছয়মাস একজন আরেকজনের ছাঁয়াটাও মাড়াইনি। পরে একদিন তোবা এসে সরি বলে সব ঠিক করে নেয়।তোবার দেয়া ফুলের তোড়ার সাথে একটা বিয়ের কার্ড।কার্ডটাতে দেখা যাচ্ছে কথার সাথে একটা ছেলে। বুঝতে বাকি রইল নাহ্ কথার বিয়ের কার্ড এটা।
কি মিঃরাজ অবাক হলেন? আপনার স্ত্রী অন্যের বউ হতে যাচ্ছে। কলিজা ফেঁটে যাচ্ছে তাই তো। আমারো ফেঁটে যাচ্ছিল যেদিন আপনার আর কথার বিয়ে হয়। আমি সহ্য করতে পারতাম না আপনার সাথে কাউকে।ভার্সিটিত
ে এতোটাই পাগল ছিলাম আপনার জন্য আপনার ছবি দিয়ে আমার রুমের প্রতিটা কোণা ভরে ফেলছিলাম তখন। ভালবাসতাম আপনাকে, সেটা জানতেন। তারপরও ইগনোর করতেন। যেদিন সবার সামনে আপনাকে জড়ায় দিয়ে ভার্সিটিতে আপনি আমাকে থাপ্পর দিয়ে বলেছিলেন" আমি কথাকে ভালবাসি, আল্লাহ্ ছাড়া কেউ আমাদের আলাদা করতে পারবে না" সেদিন আপনার কথাটা চ্যালেন্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। আমি সাথীর কাছে শুনেছি আপনি কয়েকদিনের মেহমান এই পৃথিবীর। তাই সত্য কিছু কথা বলে যায়! আপনার স্ত্রী কথা ফুলের মতো পবিএ, তাঁর গর্ভে আপনারই সন্তান, তবে সে সন্তানকে এভারর্শন করাবে কাল তার পর বিয়ে রাফির সাথে আপনার স্ত্রী কথার ওহ্ না আপনার ভালবাসার মানুষ ও তো কথা। জানেন রাফি অনেক ভাগ্যবান ছোটবেলা থেকে নাকি কথাকে ভালবাসতো, তাই এতো কিছুর পরও কথাকে বিয়ে করছে। হ্যাঁ এখন কথা হলো শারীরীক সম্পর্ক ছাড়া কেমনে বাবা হচ্ছো আর তোমার প্রিয়তমা কেমনে তোমার সন্তানের বাবা? তাহলে শুনো- তোমার মনে আছে? গত মাসের একুশ তারিখ আমার বার্থডে ছিল। সেদিন তুমি আর কথা ছিলো আমার একমাএ গেষ্ট। আপন বলতে সেদিন তোমরা দুজনই ছিলে। রাতে তোমাদের শরবতের গ্লাসে একটা ড্রাগস মিশিয়ে দেয় যা খাওয়ার পরের পাঁচঘন্টার স্মৃতি তোমাদের ব্রেন থেকে মুছে দেয়। সেই ড্রাগস খাওয়ার পর তোমাদের দুজনকে,সেক্সের পিল খাইয়ে দেয় কৌশলে আর তোমরা দুজন সেদিন নিজেদের অজান্তে নোংরা খেলায় মেতে উঠো। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল, তবুও যে আমাকে এই খেলাটা খেলতেই হলো! তারপর পরেরদিন তোমরা দুজন দুজনের বাড়িতে চলে যাও। আর বুঝতে পারোনা রাতে তোমাদের মাঝে কি হয়েছে।
হা,হা হা, এখন ভাবছো যে সেদিন কথাদের বাড়িতে ফুল নিয়ে দরজার সামনে যেতেই রুম থেকে কথার আর অন্য ছেলের বাজে কাজ করার কথা শুনেছে? হ্যাঁ তুমি ঠিক শুনেছিলে, তবে কন্ঠটা আমার ছিলো, ডাবিং করা! তুমি তো জানো আমি ফট্রোগাফার নয় শুধু ইডিটিং এ বাংলাদেশের টপ টেনে রয়েছি। তুমি যখন কথাদের বাড়িতে যাও তার আগে আমি কথাদের বাড়িতে যায় আন্টির কাছে সুনে যে তারা বাহিরে যাচ্ছে এবং তোমাকে আসতে বলছে।আমু সুযোগ টাকে কাজে লাগায়। তুমি আসার আগেই কথার কাছে পোঁছে যায়। কথা আমার আর ওর জন্য চা নিয়ে আসলে কৌশলে চা তে ঘুমের ঔষুধ মিশিয়ে দেয়। সময়মতো কথা ঘুমিয়ে গেলে।আমি অপেক্ষা করি তোমার আসার তুমি যখন দরজার কাছে তখন ট্যাপ রেকর্ডার টা অন করি, আর তুমি ভুল বুঝো। আর তোমাকে দেওয়া ভিডিও কথাকে দেওয়া তোমার ভিডিও এবং ফটো সব ইডিট করা। খুব কষ্ট হচ্ছে জানো, সব কিছু আমার প্ল্যানে হলেও, আল্লাহ্ তোমার দুর্ঘটনা ঘটিয়ে দিল। বেঁচে থাকলে তিলে তিলে তোমাকে মারতাম কিন্তু আফসোস বেশিদিন বাঁচবে না। আর তোমার সন্তানকে কাল এবার্রশন করাবে।পরশু তোমমার প্রিয়তমা কথার বিয়ে। আর হ্যাঁ আমাকে একটা থাপ্পর দেওয়ার প্রতিশোধ এটা। তোমাকে এতটা ভালবাসার পরও আমাকে ইগনোর করার শাস্তি এটা! ভালো থেকে তোমার জীবন সুখের হোক ফুলের শুভেচ্ছা রইল। কাল ইউএস চলে যাচ্ছি। প্রতিশোধ নেওয়া শেষ আমার।
কথাগুলো, বলে তোবা রুম থেকে যখনি বের হততে যাবে। তখনি অবাক হলো দরজার সামনে রাফি, কথা, রিত্ত সবাই দাঁড়িয়ে আছে।কি মিস তোবা অবাক হলেন! সবাই আমার মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে গেল। সবাই জানে আমি কোনদিন কথা বলতে পারবো না!
" তোবা বলতে লাগল" তো তো তুমি কীভাবে কথা বলতে পারো? তুমি না অসুস্হ!"
তোবার কথা শুনে হা হা করে হাসতে হাসতে বলতে লাগলাম! আমি দুূঘটনায় আহত হয়নি সব একটা গেম! তুমি যেমন দৃষ্টির অগোচরে এসব করেছো তেমনি আমিও সবার অগোচরে গেমটা খেললাম।আমি জানতাম সব কিছুর পিছনে তুমি ছিলে, তাই সাথীকে বলে আর সাথীর বয়ফ্রেন্ড রাফিকে বলে এসব করি! সাথী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। আর আমি এটাও জানি, কথা ফুলের মতো পবিএ।নামাযের মুনাজাতেই তার প্রমাণ পেয়েছি। শুনেন মিস তোবা পৃথিবীতে কোন কিছুই "দৃষ্টির অগোচরে থাকে না " সত্যের জয় একদিন না একদিন না একদিন হবেই!
সমাপ্ত
লেখকের কথা : অনেকেই বলেছেন গল্পটা পরকীয়া নিয়ে তাঁদের বলতে চাই"গল্পের লাস্ট পার্ট না পড়ে পরকীয়া পরকীয়া বলে লাফাবেন না। আমি জানি কাছের মানুষটি যদি পরকীয়ার মতো জঘন্য কাজ করে তাহলে আমরা কতটা কষ্ট পায়। আর গল্পে চরিএগুলো বাস্তবে দাগ কেটে যায়। তাই গল্পে বিন্দুমাএ পরকীয়ার কোন লেশ রাখিনি! যা হয়েছে সম্পূর্ণটাই একটা গেম! যে গেমে কথা সম্পূর্ণ নিঃশ্বাপ সাথে সাথীও!

COMMENTS

Name

অচেনা প্রান্তর,1,অনুভুতির প্রতিশোধ,3,অপেক্ষা,1,অবিদিত সেই তুমি,1,অ্যাফ্লিক্টেড বোবা,1,আপেক্ষিক,1,আমার জন্ম ভূমি,1,আরেক জগৎ,1,আসবে মরণ,1,আহারে জীবন,1,ঈদের চাঁদ,1,উপন্যাস,31,একে আজাদ,4,ওরে খোকা,1,কবিতা,19,কলমের শক্তি,1,গল্প,34,চাঁদ মামা,1,চিত্তের আর্তনাদ,1,ছোট গল্প,9,জিসান আহম্মেদ রাজ,24,দৃষ্টির আগোচরে,3,ধৈর্যের ফল,1,ধোকা,12,পিচ্চি বউ,13,প্রত্যাবর্তন,2,প্রেমাতাল,31,ফরিদ সরকার,10,ফারজানা শারমিন,2,ভিন্ন চোখ,1,ভুল,1,মিছে স্বপ্নের জাল বুনি,1,মেঘ রোদ্দুর,2,মৌরি মরিয়ম,31,শফিক নোমানী,3,শশুরবাড়ি,6,সুখ দুঃখ,1,সুরভিত অতীত,1,সেই তুমি,1,সৌরভ সাধুখান,1,হৃদয় চৌধুরী,18,
ltr
item
LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network: দৃষ্টির অগোচরে পর্ব - ০৩ (শেষ) || জিসান আহম্মেদ রাজ
দৃষ্টির অগোচরে পর্ব - ০৩ (শেষ) || জিসান আহম্মেদ রাজ
https://2.bp.blogspot.com/-ju-ckquojW8/XH6l2qEwn7I/AAAAAAAAAFk/qzMkYQNhAAMpSCgPRrE9fTByfdPn9eAiACLcBGAs/s320/Logopit_1551628879311.jpg
https://2.bp.blogspot.com/-ju-ckquojW8/XH6l2qEwn7I/AAAAAAAAAFk/qzMkYQNhAAMpSCgPRrE9fTByfdPn9eAiACLcBGAs/s72-c/Logopit_1551628879311.jpg
LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network
https://www.lekhapriyo.com/2019/03/blog-post_46.html
https://www.lekhapriyo.com/
https://www.lekhapriyo.com/
https://www.lekhapriyo.com/2019/03/blog-post_46.html
true
1831162134532447050
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content