--> ধোকা পর্ব - ০৭ || হৃদয় চৌধুরী | LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network

ধোকা পর্ব - ০৭ || হৃদয় চৌধুরী

Hridoy Chawdhury পলক আর আমার প্রথম রাত আজ.. কিন্তু এই ফুলশয্যার রাতেও ড্রিংকস করে এলাম আমি... রুমে যে কেউ একজন ওয়েট করছে, সে খেয়ালটা...


Hridoy Chawdhury
পলক আর আমার প্রথম রাত আজ.. কিন্তু এই ফুলশয্যার রাতেও ড্রিংকস করে এলাম আমি... রুমে যে কেউ একজন ওয়েট করছে, সে খেয়ালটাই যেন নেই...
টালমাটাল অবস্থায় রুমের দরজাটায় ধাক্কা দিয়ে ঢুকলাম.. আমাকে দেখেই পলক বেড থেকে নেমে দাড়ালো..
আমি মাতাল হয়ে টলতে টলতে কোনোমতে পলকের সামনে গিয়ে দাড়ালাম,
-কেউ ভালোবাসে না রে আমায়... কেউ ভালোবাসে না..
মাতাল কন্ঠে পলককে কথাগুলো বললাম আমি.. চোখগুলো একদম লাল হয়ে গেছে আমার..
পলক আমাকে টলতে দেখে কোনোভাবে ধরলো আমাকে,
-হৃদয় নেশা করেছো তুমি!...
-হু হালকা লাগে... খুব হালকা লাগে... ইশা আর প্রীতমের মতো............
কথাটা বলতে বলতে আটকে যাচ্ছিলাম আমি... পলক আমার দিকে ভ্রু কুচকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
-ইশা আর প্রীতম আবার কী করলো??
-সেদিন কতো কি বললো ওরা... দেখা হয়েছিলো.. কষ্ট দিয়েছে ওরা আমায়...
পলক আমাকে আস্তে আস্তে বেডে নিয়ে বসালো,
-হৃদয় বসো ঠিকমতো.. এখন একদম ক্লিয়ার করে বলো প্লিজ কী হয়েছে...
আমি কোনোমতে পলককে সেদিনের কথা বলতে লাগলাম....
ঃ-
এক ছুটির দিনে এমনিতেই সুজিত দার ছেলে অন্তুটাকে কোলে নিয়ে হাটতে হাটতে পার্কে ঘুরতে গেসিলাম.. সেখানে গিয়ে হঠাৎ ই প্রীতম আর ইশার সাথে দেখা...
ওরাও হয়তো একসাথে এখানে সময় কাটাতে এসেছিলো.. ওদের দেখা মাত্রই মেজাজটা বিগড়ে গেলো আমার.. অন্তুকে নিয়ে ফিরে আসছিলাম..
কিন্তু প্রীতম দেখে ফেললো.. ইশা আর ও দ্রুত আমার কাছে এসে কথা বলার জন্য থামালো আমাকে..
প্রীতম আমার উদ্দেশ্যে বললো,
-এই হৃদু..! জাস্ট কিছুক্ষণের জন্য একটু দাড়া প্লিজ... ৫মিনিট?
আমি বিরক্তিভাব নিয়ে প্রীতম আর ইশার দিকে ফিরে তাকালাম,
-কী হয়েছে...!
-হৃদু! একটু সময় মন দিয়ে আমার কথাটা শোন প্লিজ!
দেখ্ মানছি আমার আর ইশার সম্পর্ক রয়েছে... তবুও ব্যাপারটা ভালোভাবে ক্লিয়ার করা দরকার... (প্রীতম)
-আর কি ক্লিয়ার করার দরকার আছে! কিছুই শোনার নেই আমার.. ভালো থাক্..
-হৃদয়, একটু তো ঠান্ডা হয়ে শোনো.. সব যখন জেনেই গেছো, তাহলে ভালো করেই জানো সব... (ইশা)
-কী জানবো!
-তুই হয়তো ভেবেছিস তোদের বিয়ের পর থেকে আমার আর ইশার সম্পর্ক হয়েছে, কিন্তু এমন না... আমার সাথে ইশার এর আগেও সম্পর্ক ছিলো... তবে সেটা খন্ডকালীন.. (প্রীতম)
-মানে?
-মানে শোন্.... বছর খানেক আগের কথা.. প্রীতম আর আমি একজন আরেকজনকে খুব ভালোবাসতাম.. আড়াই বছরের সম্পর্ক ছিলো আমাদের.. ভালোই চলছিলো সব.. কিন্তু হঠাৎ ই দরকারে আমার বিদেশ যাওয়ার কথা ঠিক হলো.. এখন কোনদিন দেশে ফিরবো বা আদৌ ফিরবো কিনা জানতাম না.. প্রবলেম ছিলো, তাই ইশার সাথে সব সম্পর্ক শেষ করে দিয়ে বিদেশ চলে গেলাম...
-কষ্ট হলেও তখন থেকে প্রীতমকে আমি আস্তে আস্তে ভুলে যেতে লাগলাম.. তারপর তোমার সাথে বিয়ে হলো.. গেলো কয়েকমাস.. প্রথম প্রথম তোমাকে ভালোবাসার চেষ্টা করেছিলাম খুব.. কিন্তু তেমনভাবে পারিনি.. কয়েকমাস পর যখন হঠাৎ প্রীতমকে দেখলাম তোমাদের বাসায়, তখন একদম শকড হয়ে গেলাম.. আমি জানতাম না তোমরা যে কাজিন.. প্রায় ভুলেই গেছিলাম প্রীতমকে.. কিন্তু ঐদিন একে অপরকে দেখার পর কেন জানি আবার সেই পুরনো ভালোবাসাটা উকি দিয়ে উঠলো.. তোমাদের থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে যোগাযোগ হতো আমাদের.. তারপর এভাবেই আস্তে আস্তে কীভাবে যে আবার সম্পর্কে জড়িয়ে গেলাম জানি না..
-বাহ্ ভালোই! তো এসব শুনে আমার কী লাভ হলো?
-লাভ ক্ষতি কিছু না হৃদু.. তুই যখন জেনেছিস ই, তাহলে একদম শুরু থেকে শেষ জানালাম.. আমাদের জন্য তুই খুউব কষ্ট পেয়েছিস জানি, অনেক অপরাধবোধ জাগছিলো, তাই এসব বলে হালকা করে নিলাম.. ক্ষমা করে দিস আমাদের প্লিজ!
-হাহ্! কতো সহজ না দুনিয়াটা? ভুল করলাম.. অনুতপ্তও ফিল করলাম.. অতঃপর ক্ষমাও চেয়ে নিলাম.. এতেই কি সব শেষ হয়ে যায়? আরে ভুল ক্ষমার মাঝখানে যে কষ্টটা থাকে, সেটার পরিণতি কেউ কীভাবে ঠিক করবে!
-হৃদয়, প্লিজ সরি... অনেক গিল্টি ফিল করছি.. তোমার সাথে অনেক খারাপ বিহেইভ করেছি, মাফ করে দাও..
-ইশা? আমার তোমাকে তো কিছু বলার ই নেই আর.. এতোটা ভালোবেসেছিলাম তোমায়, আর তুমি এভাবে আমাকে ধোকা দিলে? আমাকে একটাবার সবকিছু বলে দেখতে পারতে.. আমি নিজে থেকে তোমাকে ভালোয় ভালোয় মুক্তি দিতাম.. এতো কষ্ট দেওয়ার তো দরকার ছিলো না.. আমার লাইফে তোমাদের মতো এমনটা আর কেউ করেনি..
-ভাই সত্যি তোর কাছে ক্ষমা চাওয়ার মুখেরও অবস্থা নেই আমাদের.. তোর যা ইচ্ছা শাস্তি দে আমাদের..
-হাহ্ জানিস, সত্যিটা জানার পর চাইলেই আমি অনেক কিছু করতে পারতাম... তাতে তোর আর ইশা কারোরই সমাজে মুখ দেখানোর মতোও অবস্থা থাকতো না.. এটা কিন্তু তোদের কৃতকর্মের জন্যই.. তোদের পরিবারেও ঝামেলা হতো খুব.. কিন্তু এমন কোনোকিছুই করিনি আমি.. উপরে ঈশ্বর থাকতে আমি তোদের শাস্তি দেওয়ার কে!
আচ্ছা যাই হোক, বাদ দে, ভালো থাক্ সবসময়.. এটাই প্রে করি..
বলেই আমি অন্তুকে নিয়ে ফিরে যাচ্ছিলাম, তখনি ইশা আমাকে ডাকলো পেছন থেকে,
-কয়েকমাস পর বিয়ে আমাদের... পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসো.. (ইশা)
-হুম...
আমি মাথা নাড়িয়ে ওদের নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে অন্তুকে নিয়ে চলে এলাম...
আমার কথাগুলো শেষ করে ঢুলুঢুলু চোখে তাকালাম পলকের দিকে.. দেখলাম ও ছলছল চোখে তাকিয়ে আছে.. হঠাৎ ই ও আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে শুরু করলো,
-খুব কষ্ট হয়েছে তোমার হৃদয়? আর হবে না রে.. ইশা তোমার মতো করে ভালোবাসে নি তোমায়.. আমি বাসবো হৃদয়.. আমি বাসবো..
আমি নেশা লাগা কন্ঠে পলককে আলতো করে ছাড়িয়ে আমার সামনে দাড় করিয়ে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলাম.. ও কিছু না বলে আমার দুইগালে হাত রাখলো,
-পাগল কেন বিয়ে করতে রাজী হয়েছি তোমায় বুঝোনা রে? ভালোবাসি তো... তুমি ছাড়া অন্য কেউ এই প্রস্তাবটা দিলে আগেই পরিবারকে না করে দিতাম.. কিন্তু তুমি ছিলে তাই কেউ আপত্তি দেয়নি... জানো হৃদু, আরো আগে থেকেই ভালোবাসি রে তোমায়.. কিন্তু আমি তা প্রকাশ করার আগেই তুমি অন্য কারোর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেছিলে.. তাই এড়িয়ে চলতাম তোমায়..
-উমমম....
ঘুমের মতো অবস্থায় ছিলাম আমি.. পলকের কথাগুলোতে শুধু মাথা নেড়ে হা হু করে যাচ্ছিলাম.. ভালো করে চোখ মেলতে পারছিলাম না..
পলক আমাকে বেডে শোয়ালো আস্তে আস্তে,
-নেশা করো কেন রে... আর করো না প্লিজ.. নিজের ভালো বুঝোনা তুমি? তোমার সাথে সাথে মা, তিতুর কষ্ট হয় বুঝোনা? এখন তো আমারও সহ্য হয়না প্লিজ.. আর কখনো পুরনো কথা নিয়ে কষ্ট পেও না প্লিজ.. নেশায় নেশায় শরীরটাই খারাপ করে ফেলছো...
আমার নেশা করা নিয়ে পলক খুব কান্না করলো.. আমাকে নিয়ে কেন এতো কান্না করে পলক! কীভাবে কী করবো বুঝতে পারছিলাম না.. হুশে ছিলাম না..
নেশায় ছিলাম.. পলকের কথাগুলোর জবাব দেওয়ার মতো এনার্জী ছিলো না.. এমনি এমনি ই হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়লাম..
.
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আমি এলোমেলোভাবে বিছানায় শুয়ে আছি... পলক কতো আগেই উঠে গেছে ঘুম থেকে..
রুমে নেই.. হয়তো রান্নাঘরে বা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত.. গায়ের কম্বল টম্বল সরিয়ে বেড থেকে নামতেই গতরাতের কথা মনে পড়ে গেলো..
নেশার জন্য বকুনি তো খেতাম ই.. কিন্তু কালকে রাতে পলক কান্নাও করলো! আমার জন্য?
মা আর তিতুর কথাও মনে পড়ে গেলো.. মানুষগুলো কতো চিন্তা করে আমার.. আর আমি নিজেকে সামান্য হালকা করার জন্য এতোজনকে কষ্ট দিচ্ছি..
অনুতপ্ত হতে লাগলো খুব.. সিদ্ধান্ত নিলাম এটার জন্য একেবারে শেষবারের মতো ক্ষমা চেয়ে নেবো.. আর তারপর নেশাটাও ছেড়ে দেবো..
ফ্রেশ টেশ হয়ে তাই পলকের খোজে নিচে গেলাম.. ও কিচেনে রান্না করছিলো.. আমি ওর পাশে গিয়ে চুপচাপ দাড়ালাম..
পলক ঘাড় ঘুরিয়ে একবার দেখলো আমাকে.. কিন্তু কোনো কথা না বলে আবার ওর মতো করে রান্না করতে লাগলো..
কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকার পর একটু পর একটু হালকা খুশখুশ করে কাশি দিয়ে পলকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম,
-পলক রাগলে তোমাকে দারুণ লাগে.. কিন্তু নেশাগ্রস্ত চোখে তোমার সেই মুহুর্তটা ভালোভাবে উপভোগ করতে পারি না.. তাই ভাবলাম ছেড়ে দেবো নেশা টেশা..
পলক কাজ করতে করতে আড়চোখে তাকালো আমার দিকে,
-ঢং! প্রতিবার তো একই কথা বলো যে, আর করবা না নেশা...
-এইবারেরটা একদম পাক্কা.. কসম...
-হুহ্ এতো দিব্যি টিব্যি কাটতে হবে না.. শুধু মনে থাকলেই হলো..
-আরে প্রমিস করলাম তো.. সত্যি...
-আচ্ছা আচ্ছা এখন গিয়ে খেতে বসো..
-হুম..
আমি গিয়ে তিতুকে ডেকে এনে একসাথে খেতে বসলাম.. মায়ের শরীরটা একটু খারাপ.. তো মায়েরটা পলক রুমেই দিয়ে এলো..
যাই হোক, এতোদিনে বেশ শান্তি বিরাজ করছে বাসাটায়.. মায়ের সব খেয়াল পলক ই রাখে.. আর তিতুর সর্বক্ষণের সঙ্গী হিসেবেও তো পলক আছে..
সারাদিন বাইরে বাইরে থাকলেও ওদের নিয়ে আর বাড়তি কোনো চিন্তা করতে হয় না আমার.. পলক নিজেই খুব ভালোভাবে সামলে নেয়..
.
একদিন মন খারাপ করে ছাদে দাঁড়িয়ে আছি... পুরনো কথা ভাবতে ভাবতে আকাশের দিকে তাকিয়ে অনেক কিছু কল্পনা করছিলাম..
আকাশটা আজ সকাল থেকেই মেঘলা.. শীতের দিনে এমন আবহাওয়া সচরাচর দেখা না গেলেও এখন যেন এটা গা সওয়া ব্যাপার হয়ে গেছে..
আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা দেখছি, হঠাৎ ই টিপটিপ করে করে এক ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো..
টিপটিপ বৃষ্টি দেখতে দেখতে অর্ধেক ভিজেই গেলাম.. তাই ঝুম বৃষ্টিতে আর রুমে যাওয়ার দরকার মনে করলাম না..
কেন জানি এই বৃষ্টিতে খুব ভিজতে ইচ্ছে করছিলো.. তাই আরো নিজে থেকেই ছাদে দাঁড়িয়ে ভিজতে লাগলাম..
হঠাৎ ই কারোর নরম স্পর্শে চমকে উঠলাম আমি.. তাকিয়ে দেখলাম পলক রাগী চেহারা নিয়ে আমাকে খুজতে এসেছে..
ও এক হাতে মাথাটা ঢেকে বৃষ্টি থেকে বাচার ব্যর্থ চেষ্টা করে আমার উদ্দেশ্যে ক্রুদ্ধ কন্ঠে বললো,
-ঐ! এমন অঝর বৃষ্টির মধ্যে এভাবে ভিজছো কেন! শয়তান তাড়াতাড়ি ভেতরে চলো..
আমি নিশ্চুপ চাহনিতে পলকের দিকে তাকিয়ে আছি.. এতো মিষ্টি শাসন.. ঠোটের কোণে একটা ঢেউ খেললো আমার..
ওদিকে বৃষ্টি বেড়েই চলেছে.. পলক আমাকে খুজতে এসে নিজেও ভিজে যাচ্ছিলো.. ও বকতে বকতে আমাকে ভেতরে যাওয়ার জন্য কনভিন্স করছিলো.. কিন্তু আমি নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়েই আছি ওর দিকে..
হঠাৎ ই ভয়ংকর এক বাজ পড়তেই পলক ভয়ে সজোরে একটা চিৎকার দিয়ে অন্য হাতে আমাকে টানতে টানতে ছাদের এক পাশের স্টোর রুমটায় ঢুকে পড়লো..
.
.
(চলবে)

COMMENTS

Name

অচেনা প্রান্তর,1,অনুভুতির প্রতিশোধ,3,অপেক্ষা,1,অবিদিত সেই তুমি,1,অ্যাফ্লিক্টেড বোবা,1,আপেক্ষিক,1,আমার জন্ম ভূমি,1,আরেক জগৎ,1,আসবে মরণ,1,আহারে জীবন,1,ঈদের চাঁদ,1,উপন্যাস,40,একে আজাদ,4,ওরে খোকা,1,কবিতা,19,কলমের শক্তি,1,গল্প,34,চাঁদ মামা,1,চিত্তের আর্তনাদ,1,ছোট গল্প,9,জিসান আহম্মেদ রাজ,24,দৃষ্টির আগোচরে,3,ধৈর্যের ফল,1,ধোকা,12,পিচ্চি বউ,13,প্রত্যাবর্তন,2,প্রেমাতাল,40,ফরিদ সরকার,10,ফারজানা শারমিন,2,ভিন্ন চোখ,1,ভুল,1,মিছে স্বপ্নের জাল বুনি,1,মেঘ রোদ্দুর,2,মৌরি মরিয়ম,40,শফিক নোমানী,3,শশুরবাড়ি,6,সুখ দুঃখ,1,সুরভিত অতীত,1,সেই তুমি,1,সৌরভ সাধুখান,1,হৃদয় চৌধুরী,18,
ltr
item
LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network: ধোকা পর্ব - ০৭ || হৃদয় চৌধুরী
ধোকা পর্ব - ০৭ || হৃদয় চৌধুরী
https://2.bp.blogspot.com/-WEG2pGm7lww/XIS5nT1EhVI/AAAAAAAAAIc/OceY7r_GtyMvUcPr6BAM2pZP5eExUP21QCPcBGAYYCw/s320/Logopit_1552201164030.jpg
https://2.bp.blogspot.com/-WEG2pGm7lww/XIS5nT1EhVI/AAAAAAAAAIc/OceY7r_GtyMvUcPr6BAM2pZP5eExUP21QCPcBGAYYCw/s72-c/Logopit_1552201164030.jpg
LekhaPriyo.Com - Writers & Readers Network
https://www.lekhapriyo.com/2019/03/blog-post_15.html
https://www.lekhapriyo.com/
https://www.lekhapriyo.com/
https://www.lekhapriyo.com/2019/03/blog-post_15.html
true
1831162134532447050
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content